Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

সংবিধানের পঞ্চম ভাগ-আইনসভা-১ম পরিচ্ছেদ

স্পিকার আইন সভার সভাপতি। তবে সংসদের অধিবেশন আহবান করেন রাষ্ট্রপতি। একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের অনুমতি ছাড়া ৯০ দিন সংসদের বাইরে থাকতে পারেন। জাতীয় সংসদে কোন বিল পাশ করতে ৫০%+১ টি ভোটের প্রয়োজন হয়। ৬০ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে কোরাম হয়। অর্থাৎ তখন সভাপতি অধিবেশন শুরু করতে পারেন। ৬০ জনের কম হলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে কোরাম সংকট বলে। তবে ৬০ জনের উপস্থিতিতে অধিবেশন শুরু হলে পরে যদি কেউ বাইরে যায় অর্থাৎ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে ৬০ জনের কম হলে অধিবেশন চালাতে সমস্যা নেই।

১ম পরিচ্ছেদ-সংসদ
৬৫। সংসদ-প্রতিষ্ঠা
প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং পঞ্চাশটি সংরক্ষিত মহিলা -সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে। সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া দশ বৎসর কাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে।

৬৬। সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন।

৬৭। সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া
সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে কোন সংসদ সদস্য শপথ না নিলে তাঁর পদ শূন্য হবে।

৬৮। সংসদ-সদস্যদের পারিশ্রমিক প্রভৃতি
৬৯। শপথ গ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড
৭০। রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়াঃ
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরুপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, এ ঘটনাকে Floor Crossing বলে।
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।

৭১। দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা
কোন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ নির্বাচন করতে পারবেন। তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন্ নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করিতে ইচ্ছুক, তাহা জ্ঞাপন করিয়া নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান করিবেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচিত হইয়াছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হইবে।

৭২। সংসদের অধিবেশন
রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন। সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না। যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হইবে। রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে

৭৩। সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
৭৩ক। সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার
মন্ত্রী (Technocrat) যদি সংসদ-সদস্য না হন, তাহা হইলে তিনি ভোটদান করিতে পারিবেন না এবং তিনি কেবল তাঁহার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিষয় সম্পর্কে বক্তব্য রাখিতে পারিবেন।

৭৪। স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার
কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন। স্পিকার রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদত্যাগ করতে পারেন।

৭৫। কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি
সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন; সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অনূ্যন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।

৭৬। সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ
সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারী হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।

(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উলি্লখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তরলাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।

(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের;
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার; ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।

৭৭। ন্যায়পাল
৭৮। সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তিঃ সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
৭৯। সংসদ-সচিবালয়ঃ সংসদের নিজস্ব সচিবালয় থাকিবে।

প্রস্তাবনা
প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র

দ্বিতীয় ভাগ- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

তৃতীয় ভাগ- মৌলিক অধিকার

চতুর্থ ভাগ-নির্বাহী বিভাগ

পঞ্চম ভাগ-আইনসভা

২য় পরিচ্ছেদ-আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি
৩য় পরিচ্ছেদ-অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা

ষষ্ঠ ভাগ- বিচারবিভাগ

সপ্তম ভাগ- নির্বাচন

অষ্টম ভাগ- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

নবম ভাগ-বাংলাদেশের কর্মবিভাগ

দশম ভাগ-সংবিধান-সংশোধন

একাদশ ভাগ- বিবিধ

তফসিল

Add a Comment