Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

সংবিধান সংশোধন : কত দূর এগোল গণতন্ত্র?(প্রথম অংশ)

কালের কণ্ঠ ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
জগতে কোনো কিছুই অপরিবর্তনীয় নয়; সংবিধানও। একটি রাষ্ট্রের বিকাশের ধরন ও চাহিদা অনুযায়ীই তার সংবিধান গঠিত ও পরিবর্তিত হয়। সাধারণভাবে একটা সংবিধান হলো রাষ্ট্র ও জনগণের ভেতর রাজনৈতিক সম্পর্কের একটা চুক্তি। এতে জনগণের রাজনৈতিক অভিপ্রায়ের একটা প্রকাশ থাকবে এবং একটি আইনি কাঠামো মারফত তা বলবতযোগ্য হবে, সেটাই স্বাভাবিক। সংবিধান হলো মৌলিক আইন, যা অন্যান্য সব আইনের জন্মদাতা। কাজেই সংবিধান কী হবে না হবে, তার কী রূপান্তর ঘটবে, এ বিষয়ে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ছাড়া জনগণের সার্বভৌমত্ব, তার অভিপ্রায় ইত্যাদি কথাবার্তা পুরোটাই অর্থহীন। কাজেই সংবিধান তৈরি হওয়া কিংবা তার সংশোধনের ক্ষেত্রে জনগণের সম্মতি না নেওয়া হলে তা গণতান্ত্রিকব্যবস্থার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হতে পারে না। ফলে সংবিধান সংশোধন বিষয়ে আমরা যে মোদ্দা কথাটা বলতে পারি তা হলো, সংবিধান অবশ্যই সংশোধনযোগ্য; তবে একই সঙ্গে তাকে অবশ্যই জনগণের সম্মতির ভিত্তিতেই সংশোধিত হতে হবে। প্রশ্ন হলো, জনগণের সম্মতি গ্রহণের আইনি কাঠামোটি কী হবে? বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছর অন্তর অন্তর জনগণ তার প্রতিনিধি নির্বাচন করে সংবিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালনার জন্য। আবার সংবিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালনার জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধান সংশোধনের এখতিয়ার রাখেন। সংবিধানের সংশোধনীর জন্য জনগণের সম্মতি নেওয়ার আলাদা কোনো ব্যবস্থা এখানে অনুপস্থিত। অর্থাৎ জনগণ অভিপ্রায় করছে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংবিধান অনুযায়ী দেশ চালাবেন, অথচ তাদের প্রতিনিধিরা জনগণের সম্মতি ব্যতিরেকই কী অনুযায়ী দেশ চালাবেন তা ঠিক করছেন। যা জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণার বিরোধী। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণয়ন প্রক্রিয়ার গোড়াতেও জনগণের সম্মতি গ্রহণের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা করা হয়নি। আমরা সবাই জানি, বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। অথচ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয় ১৯৭২ সালে। তাহলে কোনো অধিকার বলে তা প্রণীত হলো? ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র প্রণয়নের যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল তার ভিত্তিতেই বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয় ও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকদের ক্ষমতা হস্তান্তরে অনীহা নিঃসন্দেহেই একটি বড় প্রভাবক ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্রে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ কেবল ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর ক্ষমতা হস্তান্তরজনিত জটিলতারই ফলশ্রুতি নয়। এর পেছনে আছে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দীর্ঘকালের আঞ্চলিক বৈষম্য-নিপীড়নের ঘটনা এবং এই অঞ্চলের মানুষের হাজার বছরের সংগ্রামের ধারাবাহিকতা। আর ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মতো বিরাট ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষারও এক বিশাল পরিবর্তন ঘটিয়েছিল। তা কেবল ১৯৭০ সালের নির্বাচনের স্বায়ত্তশাসনের আকাঙ্ক্ষা ছিল না। বরং তা মানুষের ভেতরে ছড়িয়ে দিয়েছিল মুক্তির নতুন চেতনা। বাংলাদেশের সংবিধান রচনায় নতুন করে তৈরি হওয়া এই চেতনার প্রতিফলন ঘটানোর কোনো ব্যবস্থা তৈরি হয়নি। বরং সংবিধান রচনার প্রক্রিয়ার পুরোটাতেই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে তৈরি হওয়া মানুষের এই নতুন অভিপ্রায়কে পাশ কাটিয়ে পুরনো ঔপনিবেশিক ও পাকিস্তানি শাসনের ধারাবাহিকতাকেই বজায় রাখা হয়েছে।

কিন্তু সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন প্রক্রিয়ার অগণতান্ত্রিকতাকে উপেক্ষা করেও যদি আমরা এগোতে চাই, সংবিধান যা তৈরি হলো ও যেভাবে তা বিবর্তিত হলো, তা থেকে যদি আমরা তার বিচার করতে চাই, তাহলে আমরা কী দেখতে পাই? স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংগঠিত করা না হলেও নতুন রচিত সংবিধানে জনগণের আকাঙ্ক্ষার একেবারে কোনো প্রকাশ না থাকাটা ছিল অসম্ভব; বিশেষত ১৯৭১ সালে এ রকম একটা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর। ফলে সংবিধানের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, মূলনীতি ইত্যাদিতে আমরা অনেকটাই জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখতে পাই। কিন্তু এসব যার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে সেই ক্ষমতা কাঠামো প্রথম থেকেই ছিল ব্যক্তিকেন্দ্রিক, গণতান্ত্রিক বিকাশের অনুপোযোগী। সংবিধানের সংশোধনীসমূহে, এমনকি মৌলিক নীতিসমূহে পরিবর্তন করা হলেও সংবিধানের মৌল ক্ষমতা কাঠামোটি রয়ে গেছে ‘পরিবর্তনে অপরিবর্তনীয়’। বরং সংশোধনীগুলোর মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত হয়েছে, তা আরো ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে। নিচে সংশোধনীগুলো ক্ষমতা কাঠামো ও গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্রে যে ধরনের পরিবর্তন সাধন করেছিল তা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হলো।

সংবিধানের প্রথম সংশোধনীটি করা হয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের মৌলিক অধিকার সংকোচন ও তাদের বিচারের জন্য নিযুক্ত আইনকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে যাওয়া প্রতিরোধ করতে। বাংলাদেশের রাষ্ট্র হিসেবে কায়েম হওয়ার সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সম্পর্ক আছে এবং সেই বিচারের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বাধা অপসারণের বিষয়টিও যুক্ত হয়ে পড়েছিল। সে জন্যই এই সংশোধনী। কিন্তু শুরু হওয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ার অচিরেই স্থগিত হয়ে যায়, যা এরপর বহুকাল ধরে স্থগিত থাকার পর আবারও শুরু হয়ে এখনো পর্যন্ত সমাপ্ত হতে পারেনি।

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীটি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এই সংশোধনী বিনা বিচারে কারণ না জানিয়ে কাউকে আটক না রাখার যে বিধান সংবিধানে ছিল, তার বদল ঘটিয়ে বিদেশি শত্রু বা নিবর্তনমূলক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা বাতিল করে। এই সংশোধনীতে মৌলিক অধিকার খর্ব করে জরুরি অবস্থা জারির বিধান যুক্ত করা হয়, যা গণবিরোধী, ফ্যাসিস্ট রাজনীতি ও সামরিক শাসন জারির পথ খুলে দেয়। এটা ১৯৭৪ সালে জারি হওয়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের পথও প্রশস্ত করে। এর ফলে জনগণের মৌলিক অধিকারের আইনি সুরক্ষা বাতিল হয়ে তার ওপর প্রশাসনিক নিপীড়নের পথ খুলে যায় চিরতরে। আজকের বাংলাদেশেও তা অব্যাহত আছে।

সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনী ভারতের সঙ্গে সীমানা চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য করা হয়। কিন্তু ভারতীয় পক্ষ এ অনুযায়ী তাদের সংবিধান সংশোধন না করায় এখনো এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হয়নি।

এরপরই আসে বাংলাদেশের সংবিধানের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও ভয়ংকর সংশোধনটি, যা বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী। এই চতুর্থ সংশোধনীর বিষয় আসলে অনেক এবং এর তাৎপর্য আলোচনা তার পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনা ছাড়া অসম্পূর্ণ রয়ে যায়। এখানে পরিসরের স্বল্পতার ফলে সেই আলোচনায় না গিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথাই শুধু উল্লেখ করা হচ্ছে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে সব রাজনৈতিক দল বাতিল করে একটি মাত্র রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং সেই দলের সদস্য না হলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিলের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্তদের জাতীয় দলের সদস্য হওয়ার বিধান করার মাধ্যমে রাষ্ট্র, সরকার ও দলের ব্যবধান ঘুচিয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের সর্বস্তরে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের বিধান বাতিল করা হয়। প্রধানমন্ত্রীশাসিত সরকারের পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারের প্রবর্তন করা হয়, হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ ও অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পণ করা হয়। এই সংশোধনীর পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য সংশোধনী মারফত গঠিত সরকার ও সংসদকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এই সংশোধনীতেই প্রথমবারের মতো শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সম্বোধন করা হয় সংবিধানে। এই সংশোধনীতে আরো অনেক বিধিবিধান যুক্ত করা হয় যেগুলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এখানে স্থানাভাবে তার উল্লেখ করা গেল না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ধরনের অগণতান্ত্রিক, একদলীয়, স্বৈরতান্ত্রিকব্যবস্থা অনুমোদিত হলো কিভাবে? যে ১৯৭২ সালের সংবিধান বহুল আদৃত শুধু গণতান্ত্রিক নয়, এমনকি সমাজতান্ত্রিক হিসেবে; তা এগুলো কিভাবে অনুমোদন করল? আসলে ১৯৭২ সালের সংবিধানের ভেতেরই এর সব শর্ত বিদ্যমান ছিল। প্রথমত ১৯৭২ সালের সংবিধানে সংবিধান সংশোধনের জন্য যে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার শর্ত আরোপ করেছিল, তার বলেই সংবিধানের এত বড় বড় পরিবর্তন সম্ভব হয়েছিল জনগণের সম্মতি ছাড়াই। মজার ব্যাপার, এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতির অপসারণের জন্য তিন-চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিধান যুক্ত হয়। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির পদটিকে সংবিধানের চেয়েও সুরক্ষিত করা হয়েছে এই সংশোধনীর মাধ্যমে। অবশ্য সেই পরিপ্রেক্ষিতে সেটার আদৌ কোনো দরকার ছিল কি না সেটা একটা প্রশ্ন হতে পারে। যখন সংবিধান অনুসারে একটি মাত্র দল ছাড়া সব দলই অবৈধ। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে দলের সদস্যদের ভিন্নমতের অধিকার পরিপূর্ণভাবে রহিত, সেখানে আলাদাভাবে আর এর দরকার কি? এ ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ, যা বাংলাদেশের ক্ষমতা কাঠামোর এককেন্দ্রিকতা নিশ্চিত করেছে, তার উল্লেখ করা দরকার, উল্লেখ্য অনুচ্ছেদটি বাংলাদেশের সংবিধানের শুরু থেকেই বিদ্যমান ছিল। পাঠকদের সুবিধার্থে এখানে এই অনুচ্ছেদ সংবিধানের বর্তমান পাঠ অনুসারে হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘৭০। কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-

১. উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা

২. উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন

তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।’

চতুর্থ সংশোধনীতে এতেই সন্তুষ্ট না থেকে বিপক্ষে ভোটদানের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-

‘যদি কোন সংসদ সদস্য, যে দল তাহাকে নির্বাচনে প্রার্থীরূপে মনোনীত করিয়াছেন, সেই দলের নির্দেশ অমান্য করিয়া-

ক. সংসদে উপস্থিত থাকিয়া ভোটদানে বিরত থাকেন, অথবা

খ. সংসদের কোন বৈঠকে অনুপস্থিত থাকেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।’ [ ১৯৯৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সংশোধিত পাঠ অনুসারে]

অর্থাৎ এখানে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন ভোটাধিকার ক্ষমতা পুরোপুরিই রহিত করা হয়েছে। এমনকি তাঁর নীরবতার কিংবা পাশ কাটিয়ে যাওয়ারও কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। জনগণ যাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে, তাঁদের ভোটাধিকার খর্ব করার মাধ্যমে আসলে জনগণের মতামত প্রকাশের ব্যবস্থারই কবর রচনা করা হয়েছে। আর দলের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও যেহেতু গণতান্ত্রিক রীতি নীতি পালিত হওয়ার কোনো চর্চা সাধারণভাবে নেই, কার্যত তা দলীয়প্রধানের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করে। ফলে শেষ পর্যন্ত দলীয়প্রধানের ইচ্ছাই আইন এই জায়গায় পৌঁছে। একেই আরো শক্তিশালী করা হয়েছে এখানে রাষ্ট্রের সব নির্বাহী ক্ষমতার মালিকও প্রধানমন্ত্রীকে বানানোর মাধ্যমে। সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদ তা নিশ্চিত করেছে। এই এত বছরেও নির্বাহীপ্রধানের ক্ষমতাকে ন্যূনতম স্পর্শও করা হয়নি, সংবিধানের মৌলিক ক্ষমতা কাঠামো, সংবিধান সংশোধনের এখতিয়ার কিংবা সংসদ সদস্যদের ভোটাধিকার কার্যত দলীয়প্রধানের নির্দেশ অনুযায়ী নির্ধারিত হওয়া, যেগুলো চতুর্থ সংশোধনীকে সম্ভব করে তুলেছিল, তার কোনো বদল কিন্তু পরবর্তীকালেও হয়নি। চরম বাকশালবিরোধীরাও বাকশালি ক্ষমতা কাঠামোই অক্ষুণ্ন রেখেছেন, পরিবর্তন ঘটেছে কেবল বহিরাঙ্গের। (চলবে)


👉 Read More...👇

Add a Comment